রাজশাহী-১ আসন (তানোর-গোদাগাড়ী) দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত।এআসনটি নানা কারণে অনেক গুরুত্বপুর্ণ। বিএনপি ও জামায়াত দুটি দলের প্রার্থীদের মধ্যে চলছে ব্যাপক তৎপরতা। এ আসনে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন।বিশেষ করে গোদাগাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভোটারের সংখ্যা বেশি। অতীতের বিভিন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জয়-পরাজয়ে এসব ভোটারের বড় ভূমিকা দেখা গেছে।এতো বিপুলসংখ্যক ভোটারের সমর্থন পেতে বেশ তৎপর বিএনপি ও জামায়াত। একই সঙ্গে প্রধান দুই দলেরই জয়-পরাজয় নির্ভর করছে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারের ওপর। তাই দুই দলেই সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারদের কাছে টানতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে।
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের মধ্যে। এছাড়া এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহমান (ঈগল প্রতীক) নিয়ে এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী শাহজাহান (ট্রাক প্রতীক) নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। যদিও এই দুই প্রার্থীর সাংগঠনিক শক্তি তুলনামূলকভাবে সীমিত, তবে ভোট ভাগাভাগির ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা খুব একটা জোরালো মনে হচ্ছে না।
২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের দখলে থাকা আসনটি এবার পুনরুদ্ধার করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে বিএনপি। তবে শুরু থেকেই আসনটিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরিতে তৎপর জামায়াত। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পর থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বড় নেতাদের এলাকায় দেখা যায় না। দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে এবং পরে এলাকায় কোনো তৎপরতাও নেই।
রাজশাহী-১ আসনের তানোর উপজেলায় ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন এবং গোদাগাড়ী উপজেলায় রয়েছে ২টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন। তানোর উপজেলার আয়তন ২৯৫ দশমিক ৪০ বর্গ কিলোমিটার এবং গোদাগাড়ী উপজেলার আয়তন ৪৭৫ দশমিক ২৬ বর্গ কিলোমিটার।মোট আয়তন ৭৭০ দশমিক ৬৬ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক দিয়ে সংসদীয় আসন হিসেবে দেশের ৮ম বড় এলাকা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৯টি। এদের মধ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তরুণ ভোটারের সংখ্যা বেশি।বিশেষকরে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারদের নিয়ে বিএনপি-জামায়াত টানাটানি শুরু করেছে।এদিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিছু নেতা জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে জামায়াতের পক্ষে ভোট চাইছেন। বিপুল ভোটার সংখ্যা ও বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার কারণে এখানে ভোটের হিসাব বরাবরই জটিল এবং ফলাফল পূর্বানুমান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই আসনের রাজনীতি ও ভোটের মাঠে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
এদিকে নির্বাচনে জয়ী হতে দুই দলই বর্তমানে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, রাত-দিন বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রধান দুই দলেরই জয়-পরাজয় নির্ভর করছে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তরুণ ভোটারের ওপর। তাই দুই দলেই এসব ভোটারদের কাছে টানতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
তানোর উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন ইনশাল্লাহ।তিনি বলেন, এই আসনের মানুষ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও ড, এম আসাদুজ্জামান আসাদের কাছে অনেকটা ঋণী,এবার নির্বাচনে তারা ব্যারিস্টার পরিবারের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে ভোট দিয়ে সেই ঋণের কিছুটা হলেও প্রতিদান দিতে চাই।
অন্যদিকে এ আসনে জামায়াত তথা ১০ দলীয় ঐক্যজোটের দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, 'আমাদের তানোর-গোদাগাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ নিরাপদে বসবাস করছেন। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তারা যাতে নিরাপদে থাকতে পারেন, তাদের প্রতি যেন কোনো অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম করা না হয়, সেই চেষ্টা করা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে তাদের অতীতে যেমন পাহারা দিয়েছি এখনো দিচ্ছি। আমাদের প্রার্থী নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে আমরা সব বৈষম্য দূর করবো ইনশাআল্লাহ।
রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) এই আসনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের মধ্যে। এছাড়া এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহমান (ঈগল প্রতীক) নিয়ে এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী শাহজাহান (ট্রাক প্রতীক) নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। যদিও এই দুই প্রার্থীর সাংগঠনিক শক্তি তুলনামূলকভাবে সীমিত, তবে ভোট ভাগাভাগির ক্ষেত্রে তাঁদের ভূমিকা খুব একটা জোরালো মনে হচ্ছে না।
২০০৮ সাল থেকে আওয়ামী লীগের দখলে থাকা আসনটি এবার পুনরুদ্ধার করতে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে বিএনপি। তবে শুরু থেকেই আসনটিতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরিতে তৎপর জামায়াত। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার পর থেকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের বড় নেতাদের এলাকায় দেখা যায় না। দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে এবং পরে এলাকায় কোনো তৎপরতাও নেই।
রাজশাহী-১ আসনের তানোর উপজেলায় ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন এবং গোদাগাড়ী উপজেলায় রয়েছে ২টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন। তানোর উপজেলার আয়তন ২৯৫ দশমিক ৪০ বর্গ কিলোমিটার এবং গোদাগাড়ী উপজেলার আয়তন ৪৭৫ দশমিক ২৬ বর্গ কিলোমিটার।মোট আয়তন ৭৭০ দশমিক ৬৬ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক দিয়ে সংসদীয় আসন হিসেবে দেশের ৮ম বড় এলাকা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৯টি। এদের মধ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তরুণ ভোটারের সংখ্যা বেশি।বিশেষকরে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভোটারদের নিয়ে বিএনপি-জামায়াত টানাটানি শুরু করেছে।এদিকে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কিছু নেতা জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত হয়ে জামায়াতের পক্ষে ভোট চাইছেন। বিপুল ভোটার সংখ্যা ও বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার কারণে এখানে ভোটের হিসাব বরাবরই জটিল এবং ফলাফল পূর্বানুমান করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই আসনের রাজনীতি ও ভোটের মাঠে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
এদিকে নির্বাচনে জয়ী হতে দুই দলই বর্তমানে ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন, রাত-দিন বিরামহীন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে প্রধান দুই দলেরই জয়-পরাজয় নির্ভর করছে সনাতন ধর্মাবলম্বী,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও তরুণ ভোটারের ওপর। তাই দুই দলেই এসব ভোটারদের কাছে টানতে নানা কৌশল অবলম্বন করছে বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
তানোর উপজেলা বিএনপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন ইনশাল্লাহ।তিনি বলেন, এই আসনের মানুষ প্রয়াত ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও ড, এম আসাদুজ্জামান আসাদের কাছে অনেকটা ঋণী,এবার নির্বাচনে তারা ব্যারিস্টার পরিবারের সদস্য মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিনকে ভোট দিয়ে সেই ঋণের কিছুটা হলেও প্রতিদান দিতে চাই।
অন্যদিকে এ আসনে জামায়াত তথা ১০ দলীয় ঐক্যজোটের দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, 'আমাদের তানোর-গোদাগাড়ীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষ নিরাপদে বসবাস করছেন। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তারা যাতে নিরাপদে থাকতে পারেন, তাদের প্রতি যেন কোনো অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম করা না হয়, সেই চেষ্টা করা হয়েছে। দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে তাদের অতীতে যেমন পাহারা দিয়েছি এখনো দিচ্ছি। আমাদের প্রার্থী নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে আমরা সব বৈষম্য দূর করবো ইনশাআল্লাহ।
আলিফ হোসেন